প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে পরিষ্কারভাবে সহযোগিতা চেয়েছেন—নিষিদ্ধ কার্যক্রমে জড়িত কেউ যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে। একই সঙ্গে এ ধরনের তৎপরতা দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
তেজগাঁওয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে যে বার্তা

সোমবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
রাজনৈতিক বক্তব্যে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার ঠেকাতে অনুরোধ
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ভারতীয় পক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। মূল বক্তব্য ছিল—নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড চালাতে না পারেন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাবের সতর্কতা
তিনি জানান, এ ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সচেষ্ট থাকার অনুরোধ জানান তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস
বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন। উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেয়। পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনা—এই পথেই দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান সম্ভব বলে মত প্রকাশ করা হয়।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের ভেতরের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন—দুই ক্ষেত্রেই প্রবাসী শ্রমজীবী ও পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ও দুশ্চিন্তা নির্ভর করে। এ ধরনের আলোচনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমন্বয়ের বার্তা থাকে, যা প্রবাসী পরিবারগুলোর মানসিক স্বস্তির দিকেও ইঙ্গিত করে।
প্রশ্ন-উত্তর
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কী ধরনের সহযোগিতা চেয়েছেন?
নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য বা অস্থিতিশীলতা তৈরির কর্মকাণ্ড না করতে পারে—এ বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বৈঠকে আর কী বিষয়ে কথা হয়েছে?
বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার কী আশ্বাস দিয়েছেন?
বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









