GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / হাসপাতালে ইমরান খান, স্বাস্থ্য উদ্বেগ

হাসপাতালে ইমরান খান, স্বাস্থ্য উদ্বেগ

ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালের পরিবেশে চিকিৎসা পরীক্ষা

ইমরান খান হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি এখন পাকিস্তানজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যাতে তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে পরীক্ষা করা যায়।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, হাসপাতালের পথে ইমরান

ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালের পরিবেশে চিকিৎসা পরীক্ষা

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) শুক্রবার সাংবাদিকদের জানায়, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর আদিয়ালা কারাগার থেকে ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে আদালত ইমরান খানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকসহ একটি মেডিকেল প্যানেলকে পরীক্ষা করার সুযোগ দিতে বলা হয়।

সমর্থকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ

ইমরান খানের সমর্থকেরা প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই ধরনের বক্তব্য বারবার সামনে এলেও, বিষয়টি নিয়ে সরকারি অবস্থান ছিল ভিন্ন।

সরকারের ভাষ্য—তাৎক্ষণিক চিকিৎসার কারণ নেই

অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার বলেছে, চিকিৎসা প্রতিবেদনে এমন কোনো শারীরিক সমস্যা পাওয়া যায়নি, যার জন্য তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন। ফলে হাসপাতালে নেওয়াটা সমর্থকদের দাবির বাস্তবায়ন হিসেবেও দেখা হচ্ছে—বিশেষ করে আদালতের নির্দেশের পর।

রাজনৈতিক টানাপড়েনে কমতে পারে উত্তেজনা

পিটিআইয়ের দাবি, এই পদক্ষেপটি ইমরানের দল এবং পাকিস্তানের শক্তিশালী সামরিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর একটি সম্ভাব্য পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পিটিআইয়ের মুখপাত্র জুলফিকার বুখারি সাংবাদিকদের বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশকে তারা ‘নতুন আশার আলো’ হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, ইমরানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ, মামলাগুলোর দ্রুত শুনানি এবং মুক্তির দাবিতে দলটি দেশব্যাপী আন্দোলনের পরিকল্পনা চালিয়ে যাবে।

প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

ইমরান খান হাসপাতালে নেওয়ার মতো ঘটনা কেবল চিকিৎসা বিষয় নয়; কারাবন্দি রাজনৈতিক নেতাদের স্বাস্থ্য ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পাকিস্তানে টানাপড়েনের ঢেউ প্রবাসী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা, যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন মানসিকতার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত হয়ে থাকে।

ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন, তবে সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

ইমরান খানকে কেন হাসপাতালে নেওয়া হলো?
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে পদক্ষেপ হিসেবে।

ডান চোখের বিষয়ে কী দাবি ছিল?
তার সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সরকারের অবস্থান কী?
সরকার বলেছে, চিকিৎসা প্রতিবেদনে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মতো বড় কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons