GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / ৪ হাজার ১৫৯ বিদ্যালয় জাতীয়করণ কবে হবে

৪ হাজার ১৫৯ বিদ্যালয় জাতীয়করণ কবে হবে

জাতীয়করণ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিদ্যালয় সংক্রান্ত তথ্য

৪ হাজার ১৫৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের দাবিটাই এখন আলোচনার কেন্দ্র। রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত বলে অভিযোগ তোলা এসব বিদ্যালয় দ্রুত জাতীয়করণের ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে স্মারকলিপি

জাতীয়করণ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিদ্যালয় সংক্রান্ত তথ্য

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে এ দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ‘বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মিজ শাহীনা ফেরদৌসী বরাবর স্মারকলিপিটি জমা দেয়। সমিতির সভাপতি, মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন।

যে দুই দাবিতে জোর

স্মারকলিপিতে বলা হয়, জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া ৪ হাজার ১৫৯ বিদ্যালয়কে দ্রুত জাতীয়করণের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের নিবন্ধন নীতিমালার বাধ্যবাধকতা থেকে এই বিদ্যালয়গুলোকে মুক্ত রাখার দাবি তোলা হয়েছে।

সমিতির বক্তব্য, ২০১৩ সালের নীতিমালা অনুযায়ী ২০১২ সালের ২৭ মে’র পূর্বে প্রতিষ্ঠিত এবং জমি দলিলকৃত ও পাঠদানের অনুমতির আবেদন করা স্কুলগুলো জাতীয়করণের যোগ্য ছিল। যাচাই শেষে তখন সারাদেশে অনেক বিদ্যালয় সরকারি করা হলেও অভিযোগ অনুযায়ী ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বাদ পড়ে।

রাজনৈতিক কারণে বাদ পড়ার অভিযোগ

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, যাচাই-বাছাইয়ের পরও মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক কারণে বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণে পিছিয়ে যায়। বলা হয়, এসব বিদ্যালয়ের জমি সরকারের নামে নামজারির প্রক্রিয়াও এগিয়েছে।

আরও দাবি করা হয়, ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলো নিজস্ব কোডের (ধরন কোড ০৩) অধীনে প্রাথমিক সমাপনী ও বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু ২০২৩ সালের নতুন নিবন্ধন নীতিমালায় ধরন কোড ০৩ অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোর কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই—ফলে শিক্ষকরা জটিলতায় পড়ছেন।

অধিদপ্তরের ইঙ্গিত: যাচাই শেষে বিশেষ পদক্ষেপ

স্মারকলিপি গ্রহণ করেছে অধিদপ্তর। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি আলোচনা চলছে, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জানানো হবে। সিদ্ধান্ত এলে কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনার পথে এগোতে পারে বলেও ইঙ্গিত রয়েছে।

এদিকে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরেজমিন পরিদর্শন করে এবং শিক্ষাকার্যক্রম পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে জাতীয়করণ করা যেতে পারে। প্রবাসী পরিবারের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জাতীয়করণ হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থিতি বাড়ে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হয়।

প্রবাসীদের জন্য প্রভাব কী?

যেসব বিদ্যালয় জাতীয়করণের বাইরে, সেখানকার শিক্ষকরা নিবন্ধনজটিলতা ও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। জাতীয়করণ নিশ্চিত হলে চাকরি-ভিত্তিক স্থায়িত্ব, নিয়মিত কার্যক্রম ও পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা তৈরির পথও সহজ হয়।

প্রশ্ন-উত্তর

৪ হাজার ১৫৯ বিদ্যালয় বাদ পড়ল কেন—মূল অভিযোগ কী?
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের পরও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত করা হয়।

জাতীয়করণে ‘কখন’ সিদ্ধান্ত আসতে পারে?
যাচাই-বাছাই শেষে অধিদপ্তরে বিশেষ পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে; এরপর মন্ত্রণালয়ে জানিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত আছে।

২০২৩ সালের নিবন্ধন নীতিমালার বাধা কী?
ধরন কোড ০৩ অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোর স্পষ্ট উল্লেখ না থাকায় নিবন্ধনে জটিলতার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons