ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান ও স্মরণীয় অভ্যর্থনা দেওয়ার কথা বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার। দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে যাওয়াই এ সফরের মূল প্রত্যাশা—এ বার্তাও উঠে এসেছে ঢাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।
ভারত সরকারের আগ্রহ ও সফরের সুফল

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য ভারত সরকার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তিনি জানান, এই সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের জনগণের কাছেই পৌঁছাবে।
গুলশানে সংবর্ধনা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে ভারতীয় হাইকমিশন একটি সংবর্ধনার আয়োজন করে। কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সম্মানে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জির বার্তা, ‘দ্রুত বৈঠনের প্রয়োজন’
দীনেশ ত্রিবেদী অনুষ্ঠানে জানান, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাকে একজন ‘চমৎকার নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। নির্বাচনে জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান তিনি। এরপর ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সরাসরি দিল্লি যান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বৈঠকের বার্তা পৌঁছে দেন—দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্রুত একটি বৈঠক হওয়া দরকার বলে মোদি তাকে বার্তা দেন।
সম্পর্কে সমস্যা থাকলেও বিচ্ছিন্ন নয়
দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কিছু সমস্যা থাকার কথা স্বীকার করলেও হাইকমিশনার জানান, সেগুলো সম্পর্ককে দুর্বল করা উচিত নয়। তিনি বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের মধ্যে গভীর সম্মান, ভালোবাসা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে; ভুল বোঝাবুঝি হলেও সম্পর্ক ছিন্ন হয় না।
বাণিজ্যে গতি, দুই অংশীদারের গুরুত্ব
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার এবং গত কয়েক বছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ ধারাবাহিকতা ধরে সফরের প্রত্যাশাও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতি সাধারণত বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও পারিবারিক জীবনের নিরাপত্তার মতো বাস্তব ক্ষেত্রগুলোতে প্রভাব ফেলে। ভারত সফর সামনে রেখে যে বার্তা এসেছে, তা দুই দেশের মানুষের সুবিধার দিকেই ইঙ্গিত করছে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কীভাবে অভ্যর্থনা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
ভারতীয় হাইকমিশনার সর্বোচ্চ সম্মান ও স্মরণীয় অভ্যর্থনার আশ্বাস দিয়েছেন।
এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় কাদের সম্মানে?
সিআইআইয়ের উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সম্মানে।
সফরের সুফল কার কাছে পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে?
দুই দেশের জনগণের কাছেই সুফল পৌঁছাবে বলে বলা হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









