মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার ও ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক থাকা অনথিভুক্ত অভিবাসীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ বাংলাদেশের নাগরিক। সংসদে দেওয়া এক লিখিত জবাবে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
ইমিগ্রেশন ডিটেনশন চিত্র

মালয়েশাজুড়ে মোট ২০টি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার এবং আরও দুটি ইমিগ্রেশন ডিপোতে গত ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ১৬৬ জন অনথিভুক্ত অভিবাসী আটক ছিলেন। এই সংখ্যার মধ্যেই রয়েছে দীর্ঘদিনের আটক ব্যক্তিরাও।
আটক ১১৩৩ জন বাংলাদেশি
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, এসব আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ১৩৩ জন বাংলাদেশি। অর্থাৎ, মালয়েশিয়ার আটক তালিকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি স্পষ্টভাবেই চোখে পড়ে।
দীর্ঘদিন আটকে থাকা প্রসঙ্গ
লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন টানা ১১ বছর ধরে আটক আছেন। পাশাপাশি আরও ৮ জন আছেন যারা ৬ থেকে ১০ বছর সময় ধরে আটক অবস্থায় রয়েছেন। দীর্ঘ সময় আটক থাকা বাস্তবতা প্রবাসী পরিবারের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রবাসী পরিবারের জন্য বার্তা
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে এ তথ্য স্বাভাবিকভাবেই সতর্কতা বাড়ায়। অনথিভুক্ত অবস্থায় আটকে পড়া, দীর্ঘসূত্রতা এবং সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার ঝুঁকি—সব মিলিয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও আইনগত অবস্থান নিশ্চিত করার তাগিদ জোরালো হয়।
প্রসঙ্গত, যাদের নথি, অবস্থান বা কাগজপত্র নিয়ে জটিলতা থাকতে পারে—তাদের জন্য আগে থেকেই যাচাই, হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সংক্ষেপে জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন: ৩০ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় কতজন আটক ছিলেন?
উত্তর: মোট ২২ হাজার ১৬৬ জন অনথিভুক্ত অভিবাসী আটক ছিলেন।
প্রশ্ন: তাদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি?
উত্তর: ১ হাজার ১৩৩ জন বাংলাদেশি।
প্রশ্ন: কেউ কত বছর ধরে আটক আছেন?
উত্তর: একজন ১১ বছর ধরে এবং আরও ৮ জন ৬ থেকে ১০ বছর ধরে আটক আছেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









