সরকারি ক্রয়ে দক্ষতা বাড়াতে পিপিএম প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রবাসীসহ সাধারণ মানুষের টাকায় পরিচালিত কেনাকাটায় স্বচ্ছতা, গতি এবং মান উন্নত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।
দ্বিতীয় ব্যাচের পিপিএম প্রশিক্ষণ শুরু

সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় দক্ষতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে দ্বিতীয় ব্যাচের পিপিএম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নিয়ম-কানুন, বাস্তব প্রয়োগ এবং কর্মদক্ষতা জোরদার করার চেষ্টা থাকবে।
সরকারি কেনাকাটায় কাজে লাগবে
পিপিএম প্রশিক্ষণ মানে হলো— সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনায় যে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পদ্ধতিগত জ্ঞান দরকার, সেটাই হালনাগাদ করে অংশগ্রহণকারীদের সক্ষম করে তোলা। এতে সময় কম লাগা, সিদ্ধান্তে ভুল কমা এবং কাজের সমন্বয় সহজ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি ক্রয় ঠিকঠাক হলে প্রকল্প ও সেবা বাস্তবায়নও তুলনামূলকভাবে মসৃণ হয়। প্রবাসে থাকা মানুষেরও মূল বিবেচনা থাকে— দেশের উন্নয়ন যেন কার্যকরভাবে এগোয় এবং অর্থের ব্যবহার যেন সঠিক পথে থাকে।
দক্ষতা বাড়াতে ধারাবাহিক উদ্যোগ
দ্বিতীয় ব্যাচে প্রশিক্ষণ নেওয়ার মানে হলো, এই সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে এগোচ্ছে। প্রথম ব্যাচের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তী ধাপ আরও ফলপ্রসূ করার প্রত্যাশাই থাকছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি ক্রয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে প্রশিক্ষণটি ভূমিকা রাখবে। ফলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও সুবিধা হতে পারে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
পিপিএম প্রশিক্ষণ কী কাজে লাগে?
সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতা বাড়িয়ে নিয়ম মেনে ও মানসম্মতভাবে কাজ করার জন্য।
দ্বিতীয় ব্যাচ কেন শুরু হলো?
সরকারি ক্রয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিতে।
এটা সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে?
প্রকল্প ও সেবা বাস্তবায়ন আরও মসৃণ হলে সেখান থেকে উপকার পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









