GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, কমেছে লেনদেন

শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, কমেছে লেনদেন

শেয়ারবাজারে দরপতন দেখাচ্ছে সূচক ও ট্রেডিং গ্রাফ

দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢালাও দরপতন দেখা গেছে। শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক—ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচকও ঊর্ধ্বমুখী দিকে গিয়েছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যেই চিত্র বদলে যায়।

শুরুর ঊর্ধ্বগতি, পরে সূচকের তীব্র পতন

শেয়ারবাজারে দরপতন দেখাচ্ছে সূচক ও ট্রেডিং গ্রাফ

শুরুতেই দাম বাড়ার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকলেও পরে বিপরীত চিত্রে চলে আসে বেশি শেয়ার। এ কারণে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। দিনের শেষ দিকে আরও গতি বাড়ে দরপতনে; শেষ এক ঘণ্টায় কার্যত ঢালাওভাবে শেয়ার দরে নামতে থাকে। ফল হিসেবে লেনদেন শেষ হয় বড় পতন নিয়েই।

ডিএসইতে মূল্যসূচক ও লেনদেন দুটোই কমল

দিন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বেড়েছে মাত্র ৫৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটে। বিপরীতে ৩১০টির দাম কমেছে, আর ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। একইভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে ৩টির দাম বেড়লেও ৩১টির দাম কমেছে।

দরপতনের পাশাপাশি সূচকও পিছিয়েছে। ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮০৪ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২৩ পয়েন্ট, আর ডিএসই শরিয়াহ সূচকও কমেছে ১৬ পয়েন্ট।

এদিকে লেনদেনের টানও কমেছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ২১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন কমেছে ২৭২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

শীর্ষ লেনদেনে নেতৃত্ব, তবুও বাজারের চাপ

টাকার অংকে সবচেয়ে বড় লেনদেন হয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারে—৩৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার লেনদেন। দ্বিতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক, যার শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে এমএল ডাইং, লেনদেন ১৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

লেনদেনে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আরও ছিল সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, কুইন সাইথ টেক্সটাইল, আইটি কনসালট্যান্টস, লাভেলো আইসক্রিম, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, ফারইস্ট নিটিং এবং এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। তবে বাজারভিত্তিক দরপতন ঠেকাতে পারেনি এদের উপস্থিতি—দিনজুড়ে দর কমার চাপই বেশি ছিল।

সিএসইতেও দরপতন, লেনদেন কম

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ১৫৮ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয় ২৬২টি প্রতিষ্ঠান; এর মধ্যে ৫৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮৬টির, অপরিবর্তিত ছিল ২২টির। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ১৩ লাখ টাকা—আগের কার্যদিবসের ১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা থেকে বেশি হলেও সূচকচাপে সামগ্রিক বাজার নেমেছে।

সব মিলিয়ে দিনের ট্রেডিং শেষে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবটা ছিল সতর্ক; কারণ সূচক ও দর—দুই দিকেই চাপ বেড়েছে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

ডিএসইএক্স কত পয়েন্ট কমেছে?
ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮০৪ পয়েন্টে নেমেছে।

ডিএসইতে মোট লেনদেন কত ছিল?
মোট লেনদেন হয়েছে ৯৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

সিএসইর মূল্যসূচক কত কমেছে?
সিএএসপিআই কমেছে ১৫৮ পয়েন্ট।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons