বাংলাদেশের দাঁতের যত্নের পণ্য টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার বিষয়টি নতুন করে নজর কেড়েছে। উপলব্ধ তথ্যে বলা হয়েছে, দেশে ব্যবহারের জন্য বাজারে থাকা ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।
টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক—যেভাবে তথ্যটি এসেছে

প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ নমুনার বড় অংশেই এ ধরনের দূষণ থাকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলছে।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে থাকা অনেকেই বাংলাদেশ থেকে টুথপেস্ট বা দৈনন্দিন স্বাস্থ্যপণ্য সংগ্রহ করেন। ফলে এ ধরনের তথ্য প্রবাসী পরিবারের কেনাকাটার সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলতে পারে। দাঁত ব্রাশের মতো দৈনন্দিন অভ্যাসে ব্যবহৃত পণ্যে এ ধরনের উপাদান থাকলে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে।
যে সতর্কতাগুলো কাজে লাগতে পারে
এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে কীভাবে ঝুঁকি কমানো যাবে—তা নির্ভর করে পণ্যের ধরন ও ব্যবহারব্যবস্থার ওপর। তবু সাধারণভাবে টুথপেস্ট কেনার সময় উৎপাদন ও মেয়াদ, প্যাকেটের অখণ্ডতা, বিশ্বস্ত উৎস এবং লটভিত্তিক তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস রাখা ভালো। সম্ভব হলে একাধিক ব্র্যান্ড ঘুরিয়ে ব্যবহার এবং পণ্যের মান ঠিক আছে কি না নিয়মিত খেয়াল করাও সহায়ক হতে পারে।
এবার কী করবেন
যাদের টুথপেস্ট কেনা নিয়ে দ্বিধা আছে, তারা কেনার আগে প্যাকেটের তথ্য দেখে নিন এবং কোনো অসামঞ্জস্য মনে হলে ব্যবহার বন্ধ করে বিকল্প নিন। পরিবারে শিশু থাকলে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপযোগী পণ্য যেন অনিচ্ছাকৃতভাবে শিশুরা ব্যবহার না করে, সে দিকেও খেয়াল রাখুন।
প্রশ্ন: ৩৪টির মধ্যে ২৬টিতে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে—এর মানে কি সব টুথপেস্টেই আছে?
উত্তর: তথ্য অনুযায়ী মোট পরীক্ষিত নমুনার মধ্যে ২৬টিতে শনাক্ত হয়েছে। বাকি অংশে শনাক্ত নাও হতে পারে। তবে সতর্ক থাকা জরুরি।
প্রশ্ন: প্রবাসীরা কি এই বিষয়ে কেনাকাটা বদলাবেন?
উত্তর: অবশ্যই সচেতনতার অংশ হিসেবে বিশ্বস্ত উৎস থেকে কেনা, প্যাকেটের তথ্য যাচাই এবং মান নিয়ে সন্দেহ হলে বিকল্প বেছে নেওয়া ভালো।
প্রশ্ন: এখনই কী পদক্ষেপ নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?
উত্তর: দৈনন্দিন ব্যবহার হওয়া পণ্যে এ ধরনের তথ্য নজরে রেখে কেনার অভ্যাসে সতর্কতা আনা এবং প্রয়োজনে ব্যবহারযোগ্য বিকল্প বিবেচনা করা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









