ইউএই ভিসা নিয়ে ‘নীরব নিষেধাজ্ঞা’র অভিযোগ তুলেছে ব্যবসায়িক মহল। তবে আবু ধাবি স্পষ্ট করে বলেছে, পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে ভিসা নাকচ করা হচ্ছে—এমন দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
আবু ধাবির অবস্থান

বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, নির্দিষ্ট দেশ থেকে আসা আবেদনকারীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ বা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় আবু ধাবি জানিয়ে দিয়েছে, ইউএই ভিসা নিয়ে যে ‘সাইলেন্ট ব্যান’র কথা বলা হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে অনেকে যেভাবে গুজবে ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তা থামানোর বার্তা মিলেছে।
কেন এই আলোচনা প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
প্রবাসী জীবন মানে শুধু যাতায়াত নয়—চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা, আর পরিবারের নিরাপদ ভবিষ্যৎও। ইউএই ভিসা প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হলে ভ্রমণ পরিকল্পনা থেকে শুরু করে কাগজপত্র প্রস্তুতি পর্যন্ত সবকিছুতে প্রভাব পড়ে। তাই ‘অভিযোগ বনাম সরকারি অবস্থান’—এই দ্বন্দ্বটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দিকেও নজর টানছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাস্তবতা কী
অভিযোগকারীরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে ভিসা দেওয়া কমে গেছে বা আটকে যাচ্ছে। কিন্তু আবু ধাবির বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে—এ ধরনের টানা নিষেধাজ্ঞার ধারণা ঠিক নয়। এই অবস্থান মানে আবেদন প্রক্রিয়ায় নিয়ম-কানুন মেনে চললে ফল নির্ভর করবে নথি ও যোগ্যতার ওপর—গুজবের ওপর নয়।
এখন আবেদনকারীদের করণীয়
এ ধরনের খবরের প্রেক্ষিতে যারা আবেদন করবেন বা ভ্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা এবং অফিসিয়াল চ্যানেলেই তথ্য যাচাই করা। কারণ ভিসা-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা গুজবে বাড়লে সময় ও খরচ দুটিই বাড়ে।
সব মিলিয়ে ইউএই ভিসা নিয়ে ওঠা আলোচনায় আবু ধাবির অস্বীকৃতি প্রবাসী পরিকল্পনায় এক ধরনের স্থিরতা দিতে পারে। তবে আবেদনকারীদের সতর্ক থাকা এবং যাচাই ছাড়া সিদ্ধান্ত না নেওয়াই এখন সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ।
প্রশ্নোত্তর
ইউএই কি পাকিস্তানিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছে?
আবু ধাবি জানিয়েছে, ‘নীরব নিষেধাজ্ঞা’ সংক্রান্ত দাবি সত্য নয়।
এই খবর কি ভ্রমণ পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলবে?
আলোচনা উঠলেও সিদ্ধান্ত হবে আবেদনকারীর নথি ও প্রক্রিয়ার নিয়ম মেনে।
গুজব এড়াতে কী করবেন?
অফিসিয়াল চ্যানেলে নিয়মিত তথ্য যাচাই করুন এবং নথি হালনাগাদ রাখুন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: newsx.com









