রাজবাড়ীর সরকারি শিশু পরিবারে চালু হলো নকশি কাঁথা প্রকল্প। শিশুদের শিখন-দক্ষতার সঙ্গে কাজের অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।
সরকারি শিশু পরিবারে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

উদ্বোধনী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি শুরু করা হয় রাজবাড়ীতে। সরকারি শিশু পরিবারের ভেতরেই কাঁথা তৈরির প্রশিক্ষণ ও কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার কথাই উঠে আসে। ফলে শিশুদের হাতে-কলমে শেখার সুযোগ তৈরি হয়।
নকশি কাঁথার মাধ্যমে দক্ষতা চর্চা
নকশি কাঁথা শুধু নান্দনিকতার কাজ নয়; এতে লাগে ধৈর্য, পরিকল্পনা এবং হাতের সূক্ষ্ম কাজ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে এসব অভ্যাস ধীরে ধীরে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শিশুদের ভবিষ্যৎ ভাবনা, হাতের কাজের মূল্য
প্রবাসী পরিবারের মানুষদের কাছে হাতের কাজের মূল্যটা সব সময়ই আলাদা। কারণ একদিন শিখে নেওয়া দক্ষতাই ভবিষ্যতে আয়ের পথ হতে পারে। এই প্রকল্পও মূলত শিশুদের সক্ষমতা বাড়িয়ে তাদের সম্ভাবনার ভিত শক্ত করার দিকে তাকিয়ে।
দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব
শিশু পরিবারে এমন উদ্যোগ থাকলে তাদের সময় কাটানোর ধরনও বদলে যায়। কাজের মাধ্যমে মনোযোগ তৈরি হয়, একই সঙ্গে শিখতে শিখতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। ফলে শিশুদের মানসিক স্বস্তিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ থাকে।
প্রশ্ন
১) নকশি কাঁথা প্রকল্পটি কীভাবে শিশুদের উপকার করবে?
কাজের মাধ্যমে হাতের দক্ষতা ও ধৈর্য বাড়বে, পাশাপাশি শিখন-অভ্যাস তৈরি হবে।
২) প্রকল্পটি কোথায় চালু হয়েছে?
রাজবাড়ীর সরকারি শিশু পরিবারে।
৩) এটি শিশুদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় কী ভূমিকা রাখতে পারে?
দক্ষতা অর্জন দীর্ঘমেয়াদে কাজের সুযোগ তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









