GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / প্রবাসের খবর / ভার্জিনিয়ায় সমাজ-সংস্কৃতি কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ

ভার্জিনিয়ায় সমাজ-সংস্কৃতি কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ

ভার্জিনিয়ায় সমাজ-সংস্কৃতি কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠান

উডব্রিজে সমাজ-সংস্কৃতি কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখার উদ্যোগ নতুন মাত্রা পেল। ‘সেন্টার ফর সোসাইটি অ্যান্ড কালচার’ (সিএসসি) নামের এই উদ্যোগটি ভার্জিনিয়ায় শুরু হয়েছে দুই পর্বের আয়োজনে—আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উডব্রিজে সিএসসির আনুষ্ঠানিক যাত্রা

ভার্জিনিয়ায় সমাজ-সংস্কৃতি কেন্দ্রের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠান

নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও গবেষণা-উদ্যোগ ‘সেন্টার ফর সোসাইটি অ্যান্ড কালচার (সিএসসি)’-এর যাত্রা শুরু হয় ওয়াশিংটনের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে। গত শনিবার এক অনুষ্ঠানে সিএসসির আত্মপ্রকাশ ঘটে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়োজনের শিরোনাম ছিল—‘৩৬ জুলাই: দৃঢ়তায় প্রজ্বলিত, ভবিষ্যতের জন্য একতা’।

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ—কথার ভেতর সংগঠন

অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণের আহ্বান জানান। আলোচনা পর্বে অংশ নিয়ে ভিডিওবার্তা এবং ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়া বক্তারা সাংস্কৃতিক উদ্যোগকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী করার কথা বলেন।

আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণের বার্তা

অনুষ্ঠানে ‘জুলাই রেকর্ডস’-এর চেয়ারম্যান কাজী ওয়ালি উল্লাহ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আন্দোলনের মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। প্রবাসে থাকা মানুষদের কাছে এটি সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ—কারণ স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সত্যকে পৌঁছে দেওয়ার কাজটা এখান থেকেই এগোয়।

রাষ্ট্র সংস্কারে প্রবাসীদের ভূমিকা

রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার কথাও ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেধা ও দক্ষতাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে চিহ্নিত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা জরুরি। প্রবাসীদের জন্য এর অর্থ—শুধু স্মৃতিচারণ নয়, বাস্তবভাবে অবদান রাখার পথ তৈরির চেষ্টা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও যৌথ আয়োজন

সিএসসি ছাড়াও জুলাই হাউস, ব্যান্ড, সেভ বাংলাদেশ, সোচ্চার এবং দ্য বেঙ্গল কাউন্সিলের যৌথ সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং প্রবাসী নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার পর দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, যা ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিকে ধারণ করে।

শেষে সিএসসির পরিচালক মুনা হাফসা এবং প্রধান সদস্য রেদওয়ান হোসেন তালুকদার তাঁদের আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশভিত্তিক ভবিষ্যৎ সাংস্কৃতিক উদ্যোগের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রবাসে থেকে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তোলা মানে একদিকে পরিচয় ধরে রাখা, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মকে একটি স্পষ্ট মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনায় যুক্ত হওয়ার ডাকও এসেছে—যা দীর্ঘমেয়াদে সুযোগ ও আস্থা তৈরির বার্তা দেয়।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

সিএসসি আত্মপ্রকাশ হলো কোথায়?
ওয়াশিংটনের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে।

অনুষ্ঠানটি কয় পর্বে সাজানো ছিল?
দুই পর্বে—আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

কোন বিষয়গুলো জোর পায়?
জুলাইয়ের চেতনা ধারণ, আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্র সংস্কারে প্রবাসীদের ভূমিকা।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons