ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা চার্জগঠন আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার বিষয় উল্লেখ করে সময়ের আবেদন করেন।
আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।
এর আগে গত ৩ আগস্ট একই আদালত মতিউর রহমানের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৪ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।
দুদকের মামলায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। পরে এসব মামলার অভিযোগপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
২০২৪ সালে কোরবানির আগে ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতিউর রহমানকে নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
