প্রবাসী আয়ের ধারায় নতুন মাইলফলক যুক্ত হয়েছে। সময়ের ব্যবধান মাত্র ২৬ দিন। এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
প্রবাসী আয়ের হিসাবের নতুন গতি

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে রেমিট্যান্স বড় ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক এই অংকটি প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো অর্থের ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দেয়। ফলে দেশে ডলার সংকট মোকাবিলা এবং চলতি অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়।
অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়ে
রেমিট্যান্স বাড়লে সাধারণত আমদানিভিত্তিক ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডলার-আলগা অবস্থান তৈরি হলে টাকার বিনিময় হারেও চাপ তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকে। পাশাপাশি মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, বিশেষ করে যেসব এলাকায় রেমিট্যান্স নির্ভরতা বেশি।
প্রবাসীদের অবদান, কেন্দ্রবিন্দুতে ব্যাংক চ্যানেল
প্রবাসীরা যেভাবে নিয়মিত অর্থ পাঠান, সেটাই শেষ পর্যন্ত রেমিট্যান্সের জোগান গড়ে তোলে। এক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেল ও বৈধ উপায়ে লেনদেনের গুরুত্ব থাকে বেশি। কারণ, বৈধ পথে অর্থ এলে তা হিসাবের আওতায় আসে এবং নীতি-পরিকল্পনায় ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হয়।
এই অংক নিয়ে প্রত্যাশা
২৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারের মতো বড় অংক ২৬ দিনের মধ্যে আসা—ইঙ্গিত দেয়, প্রবাসী আয়ে গতি রয়েছে। তবে অর্থনীতির স্থিতি বজায় রাখতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি। আগামী দিনগুলোতে এই প্রবণতা কীভাবে এগোয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
প্রশ্ন: ২৬ দিনে যে রেমিট্যান্স এসেছে, সেটা কত ডলার?
উত্তর: ২৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
প্রশ্ন: রেমিট্যান্স বাড়লে দেশের জন্য কী সুবিধা হয়?
উত্তর: বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ে, আমদানি চাপ ও বিনিময় হারের ওপর চাপ তুলনামূলকভাবে কমতে পারে।
প্রশ্ন: রেমিট্যান্স হিসাব কীভাবে আরও নির্ভুল হয়?
উত্তর: সাধারণত বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে তা অফিসিয়াল হিসাবের আওতায় আসে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









