দিপু চন্দ্র দাসের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডা। নিহত পোশাক কারখানার শ্রমিকের স্বজনদের হাতে তাদের পক্ষে অর্থসহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে—এ সহায়তা প্রবাসী ও পরিবার দুদিকেই টানছে আশার আলো।
পরিবারের হাতে অর্থসহায়তা

সংগঠনটির পক্ষে অর্থসহায়তা দেওয়া হয় দিপু দাসের পরিবারের সদস্যদের হাতে। অর্থ সম্পাদক অরূপ কুমার ঘোষ তাদের খোঁজখবর নেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে সহায়তা তুলে দেন। এই উদ্যোগে স্ত্রী মেঘনা রবি দাস, বাবা রবি চন্দ্র দাস ও মা শেফালি রবি দাসের হাতে সহায়তা পৌঁছে।
কীভাবে উদ্যোগ নিল জগন্নাথ হল অ্যালামনাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডার সভাপতি বাদল ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক তপন কর্মকারের পক্ষে এই সহায়তা দেওয়া হয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, উপার্জনক্ষম দিপুর মৃত্যুতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পরিবারকে টানাপোড়েনে ফেলেছে। এই বাস্তবতায় আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পাশে থাকার চেষ্টা করা হয়েছে।
ঘটনার পটভূমি ও পরিবারের বেদনা
ভালুকা, ভালুকার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তার মরদেহকে সড়কের পাশে একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরানোর ঘটনাও এসেছে প্রতিবেদনে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বার্তা
কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি নেটওয়ার্কের এই উদ্যোগ শুধু একবারের সহায়তা নয়; বরং প্রবাসের মানুষগুলো বাংলাদেশে দূরে নয়—এই বার্তা দেয়। পরিবারটির দৈনন্দিন খরচ, মানসিক চাপ সামলানো কিংবা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অন্তত সামান্য জায়গা তৈরি হতে পারে এই অর্থের মাধ্যমে।
প্রশ্নোত্তর
কে এই অর্থসহায়তা দিয়েছে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডা।
কাদের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়?
দিপু দাসের স্ত্রী, বাবা ও মায়ের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।
সহায়তা দেওয়ার সঙ্গে কারা জড়িত?
সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের অর্থ সম্পাদক পরিবারে গিয়ে সহায়তা তুলে দেন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









