GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক রিসেট বিষয়ে ঐকমত্য

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক রিসেট বিষয়ে ঐকমত্য

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক বৈঠকের মুহূর্ত

বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক নতুন করে শুরুর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানোর বার্তা দিয়েছে ঢাকা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে থাকা অস্বস্তি দূর করে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগোতে দুজনেই একমত।

প্রথম বৈঠকেই সম্পর্ক ‘রিসেট’ ভাবনা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক বৈঠকের মুহূর্ত

ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি ছিল প্রথম সাক্ষাৎ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে খলিলুর রহমান বলেন, দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের মধ্যে কিছু অস্বস্তি আছে—দুই পক্ষই তা জানে। সেই অস্বস্তি নিরসনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই কথা হয়েছে।

অস্বস্তি কাটিয়ে নতুন করে শুরু

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, সম্পর্ক রিসেট—অর্থাৎ নতুন করে শুরু করার বিষয়টি দুজনে ঐকমত্যে পোষণ করেন। আলোচনায় লক্ষ্য ছিল, দুই দেশের সম্পর্ক যাতে আরও এগিয়ে যায় এবং পারস্পরিক স্বার্থ বজায় থাকে।

সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে এগোনোর কথা

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সব সময় সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। এ বিষয়ে তিনি এবং ভারতের হাইকমিশনার একমত বলে জানান। তবে নির্দিষ্ট কোনো ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন।

ব্রিকস আউটরিচে ভারত সফর পর্যালোচনায়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নিতে ভারত সফরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এখন পর্যালোচনায় আছে। সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত জানানো হবে।

হাইকমিশনারের প্রত্যাশা—আলোচনায় অগ্রগতি

বৈঠক শেষে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হলে দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আরও অগ্রগতি হবে। দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্কের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ ধরনের কূটনৈতিক সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রতিবেশী সম্পর্ক স্থিতিশীল হলে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সামগ্রিক নিরাপত্তাবোধ—সব ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত সীমান্ত ঘেঁষা ব্যবসা বা যাতায়াতের সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা স্বাভাবিকভাবেই আশার আলো।

সংক্ষেপে প্রশ্নোত্তর

সম্পর্ক রিসেট বলতে কী বোঝানো হয়েছে? দুই দেশের মধ্যে থাকা অস্বস্তি দূর করে সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য।

কোন ভিত্তিতে সম্পর্ক এগোনোর কথা বলা হয়েছে? সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে পারস্পরিক স্বার্থ বজায় রেখে এগোনোর কথা।

নির্দিষ্ট কোনো ইস্যুতে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছিল? পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়নি।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: prothomalo.com

Social Icons