উদ্ভাবন ও নতুন চিন্তার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বদলে ফেলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এমন কথাই উঠে এসেছে ফকির মাহবুবের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, দেশের অর্থনীতিকে উদ্ভাবনভিত্তিক পথে এগিয়ে নিতে নীতি ও কার্যক্রমের সমন্বয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ চলছে।
রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের

ফকির মাহবুব জানান, উদ্ভাবনী উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এগোলে উৎপাদন, সেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে। তাই সরকার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার কাজকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তার বক্তব্যে মূল সুর ছিল—উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি গড়তে প্রয়োজন দক্ষতা বৃদ্ধি, সমন্বিত নীতি এবং সহায়ক পরিবেশ।
নীতিতে উদ্ভাবনের জায়গা বাড়ানো
তিনি মনে করেন, নতুন ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে গবেষণা, প্রযুক্তি গ্রহণ এবং উদ্যোক্তা তৈরি—এসব জায়গায় সমর্থন বাড়াতে হয়। ফলে নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়নের পর্যায় পর্যন্ত উদ্ভাবনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হচ্ছে।
কাজের গতি বাড়াতে সমন্বয় জরুরি
এদিকে বক্তব্যে তিনি বলেন, উদ্ভাবনী অর্থনীতি কেবল এক বিভাগের প্রচেষ্টায় আসে না। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় থাকলে এবং বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে উঠলে লক্ষ্য পূরণ সহজ হয়। এ কারণেই রূপান্তরের কাজকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ—কারণ দক্ষতা, নতুন দক্ষতার চাহিদা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরির বিষয়গুলো উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি নিয়ে প্রশ্ন
সরকারের লক্ষ্য কী? উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে দেশে অর্থনৈতিক রূপান্তর আনা।
কোন জায়গাগুলোতে জোর দেওয়া দরকার বলে বলা হয়েছে? নীতি, সমন্বয়, দক্ষতা ও বাস্তবায়ন—এসব ক্ষেত্রে সমর্থন বাড়ানো।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? নতুন ধারণা কাজে লাগলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: bssnews.net









