গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন। সোমবার সকালে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে প্রবাসীসহ কৃষক-সংশ্লিষ্ট মানুষের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়।
সারের মজুত পর্যাপ্ত, দাবি কৃষিমন্ত্রীর

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে কৃষিপণ্যের উৎপাদনের পাশাপাশি রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে কৃষকের সার চাহিদা পূরণের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হচ্ছে। তিনি জানান, বর্তমানে সারের কোনো ঘাটতি নেই এবং পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে।
কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা রুখতে নজরদারি
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপচেষ্টার বিষয়ে সরকার কঠোর নজরদারি করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গবেষণা ও প্রযুক্তিতে জোর, রপ্তানিমুখী কৃষি
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, কৃষি খাতকে আরও আধুনিক ও রপ্তানিমুখী করতে গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদনের মান বৃদ্ধিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ ও মানসম্মত কৃষিপণ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
সমন্বিত উদ্যোগে উৎপাদন ও গুণগত মান উন্নয়ন
পরিদর্শন শেষে কৃষি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন মন্ত্রী। সেখানে কৃষি গবেষণা জোরদার, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের গুণগত মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভায় গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ইসলাম, কৃষি বিজ্ঞানী, শিক্ষক এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশ্নোত্তর
সারের সংকট নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য কী?
কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং কৃষকের চাহিদা পূরণে সার মজুত আছে।
কৃষিমন্ত্রী কেন সতর্ক করলেন?
তিনি বলেন, একটি মহল কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে। সরকার এ বিষয়ে নজরদারি করছে।
রপ্তানি প্রসঙ্গে কী বলা হয়েছে?
গবেষণা, প্রযুক্তি এবং উৎপাদনের মান বাড়িয়ে আরও কৃষিপণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









