GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / আন্তঃব্যাংক রেমিট্যান্স ডলার দাম ১২৩.৮২ টাকায় রাখতে হবে

আন্তঃব্যাংক রেমিট্যান্স ডলার দাম ১২৩.৮২ টাকায় রাখতে হবে

ব্যাংকিং লেনদেন ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রতীকী চিত্র

রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় বাস্তবে ব্যাংকগুলোকে প্রতি ডলারে তুলনামূলক বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে—এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে আন্তঃব্যাংক ও রেমিট্যান্স চ্যানেলে নির্ধারিত দামের সীমা মানতে বলেছে। নির্দেশ না মানলে বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ব্যাংকাররা আশঙ্কা করছেন।

১২৩.৮২ টাকার মধ্যে রাখতে মৌখিক নির্দেশ

ব্যাংকিং লেনদেন ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রতীকী চিত্র

ব্যাংকিং সংশ্লিষ্টদের দাবি, আন্তঃব্যাংক বাজারে নির্দেশিত দর ১২৩ টাকা ৮২ পয়সা হলেও রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে গিয়ে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। এই পার্থক্যেই লেনদেনে অনীহা তৈরি হয়েছে বলে তারা বলছেন।

সরকারি এলসি পরিশোধের চাপ বাড়ায় ডলারের চাহিদা বেড়েছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহও কমেছে। ফলে বাজারে ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে—এই বাস্তবতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে আন্তঃব্যাংক ও রেমিট্যান্স চ্যানেলে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সার বেশি দামে ডলার না কেনার জন্য মৌখিক নির্দেশ দিয়েছে।

বাজারভিত্তিক হার না চললে ঝুঁকি—ব্যাংকারদের বক্তব্য

ব্যাংকারদের মতে, আন্তঃব্যাংক ও খোলাবাজারের মধ্যে বিনিময় হার নিয়ে টানাপোড়েন থাকলে বাজার পুরোপুরি কার্যকর হতে বাধাগ্রস্ত হয়। বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু না হলে কাঙ্ক্ষিত ভারসাম্য আসবে না—এটাই তাদের অবস্থান।

এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শ দীর্ঘদিনের: বাজারভিত্তিক বিনিময় হার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সীমিত হস্তক্ষেপ। সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরও কৃত্রিমভাবে বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের চেয়ে বাজারের ওপর ছাড় দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

কেন প্রবাসীদের হাতে প্রভাব—দামের ব্যবধান মানে কম মূল্য

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে রেমিট্যান্সের ডলার কেনার খরচটা সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রেটের সামান্য ব্যবধানও দেশে পাঠানো টাকার চূড়ান্ত অঙ্কে প্রভাব ফেলে। নির্দেশের লক্ষ্য মূলত বাজারে চাপ কমিয়ে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীলতা আনা—যাতে লেনদেনের সময় অস্বাভাবিক পার্থক্য না থাকে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনা বন্ধ রাখার প্রেক্ষাপট

এছাড়া গত প্রায় দেড় মাস ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা বন্ধ রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন। এতে চাহিদা-যোগানের ভারসাম্যে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। একই সময়ে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়ায় ডলারের চাহিদা আরও জোরালো হয়েছে।

প্রবাসী পাঠকের জন্য প্রশ্ন—উত্তর

আন্তঃব্যাংক ও রেমিট্যান্স চ্যানেলে দামের সীমা মানার নির্দেশ কেন?
চাহিদা বাড়া ও রেমিট্যান্স কমার পর ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে—তাই অস্বাভাবিক দামের ব্যবধান কমিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে।

১২৩.৮২ টাকার বাইরে গেলে কী সমস্যা হতে পারে?
রেটের পার্থক্য বাড়লে লেনদেনে অনীহা তৈরি হয়, ফলে বাজারের কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে।

এতে রেমিট্যান্সে প্রাপ্ত টাকা কি প্রভাবিত হবে?
দামের ব্যবধান কমলে সাধারণত রেমিট্যান্স-সম্পর্কিত লেনদেনে আরও সামঞ্জস্য আসার সুযোগ তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons