ঢাকা সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ জানালেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলছেন, ‘অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে।
ঢাকায় বৈঠকের পর এক্স পোস্টে বার্তা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সার্জিও গর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রথম সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে ভালো লেগেছে।
দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব জোরদারে আলোচনা
সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের আলোচনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন। ফলে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণে ইতিবাচক মনোভাবের কথাটাই উঠে এসেছে।
প্রবাসীদের স্বার্থে কূটনৈতিক অগ্রগতি
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়া মানে কূটনীতি শুধু কাগজে নয়—বাস্তবভাবেই চাকরি, ভিসা-সংক্রান্ত স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে। সম্পর্কের গতি বাড়লে বিভিন্ন সহযোগিতার পথও সহজ হয়।
পরের ধাপ কী হতে পারে
দুই পক্ষের আলোচনায় যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেল, সেটি সাধারণত ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পা ও সমন্বয়ের আলোচনায় গড়ায়। আগামীতে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে কাজের ধারাবাহিকতা থাকলে প্রবাসী ও ব্যবসায়—দুই পক্ষেরই লাভ হতে পারে।
প্রশ্ন–উত্তর
১) কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সার্জিও গর?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন।
২) তিনি কী বলেছেন?
তিনি এক্স-এ জানান, সম্পর্ক শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং অনেক ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
৩) এটি প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক এগুলো কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রবাসীসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









