রাজশাহীর পবা উপজেলায় নয় বছর বয়সী এক মেয়েশিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পবা উপজেলায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগ

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ওঠার পর জামায়াতে ইসলামীর ওই নেতা তার নিজ বাড়ি থেকেই আটক হন। পরে মামলাটি করা হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে। শিশুটির পরিবার অভিযোগ জানিয়ে আদালতের প্রক্রিয়ায় যায়।
গ্রেপ্তার জামায়াত নেতাকে কারাগারে পাঠানো
মামলার পর তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর আদালতের নির্দেশে ওই ব্যক্তিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও স্থানীয় পর্যায়ের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দল থেকে বহিষ্কার
অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। নৈতিক স্খলনের কারণে জামায়াতে ইসলামীর ওই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি নিয়ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
কীভাবে অভিযোগের সূত্রপাত
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই নেতা একটি ফার্মেসি পরিচালনা করেন এবং বাড়িতে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। এ প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর এক পর্যায়ে শিশুটিকে যৌন হয়রানির অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে বিষয়টি জানায়।
প্রবাসীদের জন্য বার্তাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ
শিশু নিরাপত্তা ও আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা—প্রতিটি সমাজের মূল পরীক্ষা। এমন ঘটনা প্রকাশ্যে এলে পরিবারগুলো সতর্ক থাকে, আর দোষীদের জবাবদিহিতার পথও শক্ত হয়।
প্রশ্নোত্তর
কারা মামলাটি করেছে? শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
বহিষ্কার কেন করা হলো? অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং নৈতিক স্খলনের কারণে বহিষ্কার করা হয়।
আদালতের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে? গ্রেপ্তারের পর আদালতের নির্দেশে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









