গত ১৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “হ্যাপিলি ম্যারিড” লিখে এবং চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলেন তরুণ জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো গোপনে বিয়ের কাজটি সেরে ফেলেছেন তিনি। তবে পরদিনই জানা যায়, তা মূলত ছিল মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিবেদিত ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রজেক্টের অধীন তাঁর প্রথম ওয়েব ফিল্মের নাম।
জাহিদ প্রীতম পরিচালিত, চরকি প্রযোজিত এবং ছবিয়াল সহ-প্রযোজিত চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ আগামী ৭ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টায় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে নতুন করে কৌতূহল ও ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিয়ে সম্পর্কিত প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে কেয়া পায়েল বলেন, “আমি ভাগ্যে বিশ্বাসী। যখন ভাগ্যে লেখা থাকবে, তখনই হবে এবং সবাই সেটি জানতে পারবেন। তবে আমার মনে হয়, ব্যাপারটা হঠাৎ করেই ঘটে যাবে।”
নিয়মিত নাটক, বিভিন্ন পণ্যের এনডোর্সমেন্ট এবং ফ্যাশন রানওয়ে নিয়ে ব্যস্ত থাকা এই অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওয়েব ফিল্মের প্রস্তাব পেয়ে আসছিলেন তিনি। তবে ছোট পর্দার নিয়মিত কাজের বাইরে গিয়ে বিশেষ ও ভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ খুঁজছিলেন তিনি। তাঁর মতে, ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ওয়েব ফিল্মটিতে দর্শক একেবারেই এক নতুন ও আলাদা কেয়া পায়েলকে দেখতে পাবেন।
ওয়েব ফিল্মটিতে চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে কেয়া পায়েল বলেন, “একজন মূল নায়কের মধ্যে যে ধরনের ইতিবাচক গুণাবলী ও পেশাদারিত্ব থাকা প্রয়োজন, তার সবই আরিফিন শুভ ভাইয়ার মধ্যে রয়েছে। কাজের শুরুতে সিনিয়র অভিনেতা হিসেবে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও সহশিল্পী হিসেবে তিনি অত্যন্ত আন্তরিক, সহায়ক ও প্রফেশনাল ভূমিকা পালন করেছেন।”
আগামী ৮ অক্টোবর থেকে দর্শকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিল্মটি উপভোগ করতে পারবেন। প্রথম ওয়েব ফিল্ম হওয়ায় কেয়া পায়েল বেশ উচ্ছ্বসিত এবং তাঁর ভক্তদের সিনেমাটি দেখে নিজস্ব প্রতিক্রিয়া জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
