জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অতিদরিদ্র নারীসহ ১০ হাজারের বেশি নারী জীবিকা সহায়তা পেয়েছেন। ফলে দৈনন্দিন আয় ধরে রাখার সুযোগ তৈরি হলো—যা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধাক্কা সামলাতে বিশেষভাবে কাজে লাগবে।
জীবিকা টিকিয়ে রাখতে সহায়তা

জীবিকা সহায়তার আওতায় এসব নারী টেকসই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পান। এতে খাবার, যাতায়াতসহ সংসারের খরচ মেটাতে কিছুটা হলেও চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জলবায়ু ঝুঁকিতে ক্ষতির মুখে পড়েন অনেকে
বাংলাদেশের অনেক এলাকায় বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা কিংবা আবহাওয়ার অনিয়মের কারণে আয় থেমে যায়। বিশেষ করে অতিদরিদ্র নারীরা কাজ হারিয়ে আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়েন। এই সহায়তা তাদের সেই ভাঙন কাটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অতিদরিদ্র নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ
সহায়তা পাওয়ার মানে শুধু তাত্ক্ষণিক সহায়তা নয়—দীর্ঘমেয়াদে কিছু কাজ চালিয়ে যাওয়ার ভিত্তিও তৈরি হতে পারে। প্রবাসী পরিবারের জন্যও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দেশের ভেতরে পরিবারের আয় স্থিতিশীল থাকলে সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ে।
অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবের ইঙ্গিত
জীবিকা চালু থাকলে বাজারে কেনাকাটা ও উৎপাদন দুইই টিকে থাকে। তাই এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারে—বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
কী পাবেন নারীরা?
জীবিকা ধরে রাখতে সহায়তা—যাতে আয়ের একটি ভিত্তি তৈরি হয়।
কারা বেশি উপকৃত হবেন?
জলবায়ু-ঝুঁকির মধ্যে থাকা অতিদরিদ্র নারীরা।
প্রবাসীদের জন্য কেন জরুরি?
দেশের পরিবারের আয় স্থিতিশীল হলে প্রবাসী আয়ের ওপর চাপ কমে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









